Tuesday, 28 June 2022
ওভারিয়ান সিস্টের কারণ ও করণীয়
নারীর ওভারি অথবা ডিম্বাশয়ের সিস্ট সাধারণত যেকোন বয়সের নারীদের হতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সাধারণত ৫০ বছরের মধ্যে হয়ে থাকে।
➡️ ওজনাধিক্যের কারণে সিস্ট হতে পারে।
ওভারি সিস্ট হলে খাওয়ার অরুচি হয়।
💥ফাংশনাল সিস্ট
বন্ধ্যত্ব হতে পারে এবং মাসিক অনিয়মিত হয়।
ওজন কম রাখা (পেলসেপটিক ওভারির ক্ষেত্রে)।
Saturday, 18 June 2022
কোন রোগের জন্য কি টেষ্ট করা হয়
কোন রোগের জন্য কি টেষ্ট করা হয়ঃ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
🔴CBC যে যে রোগে করা হয়ঃ
"""''''''''""""""""""""""'"''"'""""'''''''''"
⏩জ্বর হলে কি কারণে হচ্ছে তার ধারণা নেয়ার জন্য।অনেক সময় blood culture করতে হয়।
⏩শরীরে রক্তের পরিমাণ কেমন আছে জানার জন্য।
⏩রক্তের ঘাটতি থাকলে সেটা আয়রণ বা ভিটামিনের অভাবে হচ্ছে কিনা জানার জন্য।
⏩শরীরে এলার্জি কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।
⏩রক্তে ইনফেকশন বা প্রদাহ কেমন তার ধারণা পাওয়া যায়।
⏩রক্ত জমাট বাধার উপাদান কি পরিমাণ আছে তা জানা যায়।
⏩ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে কিনা তার ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।
🔵Urine R/E প্রস্রাব টেস্ট যে যে কারনে করা হয়ঃ
""'''''''''''''''''''''''''''""""""""""""""""""
👉ইনফেকশন আছে কিনা,থাকলে সিভিয়ারিটি কতটুকু
👉ডায়াবেটিস আছে কিনা
👉প্রোটিন যায় কিনা
👉রক্ত যায় কিনা
👉কিডনীতে পাথর আছে কিনা
🔴RBS-Random Blood Sugar: ডায়াবেটিস আছে কিনা তার ধারণা করার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।
🔵Serum Creatinine:যেইসব রোগীর কিডনীর সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হয় এ টেস্ট তাদের করা হয়।(প্রেশার ও ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বাধ্যতামূলক টেস্ট। ব্যথার ঔষধ দেয়ার আগেও এটেস্ট করা উচিত)
🔴Lipid profile: রক্তে চর্বির পরিমাণ বুঝার জন্য এটা করা হয়।হার্টের ও প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগীর জন্য এটা খুব জরুরি।
🔵Serum Bilirubin: জন্ডিস আছে কিনা দেখা হয়।একদম প্রাথমিক টেস্ট।জন্ডিস হয়ে গেলে আরো টেস্ট করতে হয়।
🔴SGPT/SGOT: লিভারের কন্ডিশন বুঝার জন্য এটা করা হয়।লিভার কতটুকু এনজাইম উৎপন্ন করছে তা দেখা হয়।
🔵Serum Electrolyte: রক্তে খনিজের পরিমাণ জানার জন্য এটা করা হয়।শরীর দূর্বল লাগলে,বেশীবমি, ডায়রিয়া এসব ক্ষেত্রে এ পরীক্ষা করা হয়।
🔴HBsAG: জন্ডিস এবং লিভার কন্ডিশন বুঝার জন্য এ পরিক্ষা করা হয়।
🔵HBA1c: ডায়বেটিস বা রক্তে গ্লুকোজ নির্ণয়ের জন্য করা হয়।
🔵LFT: লিভারের সমস্যা বুঝতে এ পরিক্ষা করা হয়।
🔴BT CT: রক্তরােগের ব্যাপারে ধারণা পাওয়া যায়।
🔵Via Test: সার্ভিক্সের ইনফেকশন বা ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য এ পরিক্ষা করা হয়।
🔴TSH: Thyroid stimulating hormone এই পরিক্ষা হরমন নির্ণয়ের জন্য করা হয়।
🔵EcG: হৃদরােগের অবস্থা বুঝার জন্য প্রাথমিক টেস্ট।
🔴ChestX-ray: বুকের ও হার্টের কন্ডিশন বুঝার জন্য করা হয়।
© Copied
Monday, 13 June 2022
লন্ডনে প্রথম হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ইতিহাস
🎓লন্ডনে প্রথম হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ইতিহাস
🎩বৃটিশ রাজপরিবার হোমিওপ্যাথির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
আমরা জানি, রাজপরিবারের সদস্য ডক্টর কুইন (Dr. Quin) কলেরা আক্রান্ত হয়ে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ক্যামফর (Camphor) সেবনে আরোগ্যলাভ করেছিলেন।
🎩তারপর থেকেই (১৮৩২) তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় আত্মনিয়োগ করেন।
১৮৪৯ সালে তিনি লন্ডনে প্রথম হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন।
বলা যায় হোমিওপ্যাথি ঔষধের গুণাবলীর কারণেই হোমিওপ্যাথি রাজপরিবারের পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিল,
🎩এখনও পর্যন্ত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকরা রয়াল লন্ডন হোমিওপ্যাথিক হাসপাতালে স্বগৌরবে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
হস্তমৈথুনজনিত কুফল
হস্তমৈথুনজনিত কুফল
হস্তমৈথুন হচ্ছে যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য পুরুষের লিঙ্গ অথবা নারী তার যোনির ঘর্ষণ এবং স্তন স্পর্শ করে যৌন আনন্দ উপভোগ করে।
অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে একজন পুরুষের যেসব সমস্যা হয় তা নিচে আলোচনা করা হলোঃ
১.দ্রুত বীর্যপাত( Premature ejaculation).
২.বীর্য পাতলা হয়ে যাওয়া (Temporary oligospermia). Oligospermia হলে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায়। ফলে পুরুষ Infertility তে ভোগে।
৩.অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষের যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয়।
৪.পেনিসে শিথিলতা দেখা দেয়।
৫.Nervous system, heart,digestive system, urinary system এবং আরো অন্যান্য System ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৬.পুরো শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং শরীর রোগ বালাইয়ের আতুড়ঘরে পরিণত হয়।
৭.চোখের ক্ষতি হয়।
৮.স্মরণশক্তি কমে যায়।
৯.মাথা ব্যথা হয়।
১০.হস্তমৈথুনের ফলে অনেকেই কানে কম শোনেন।
১১.নাকের ঘ্রানশক্তি কমে যায়।
১২.সামান্য উত্তেজনায় যৌনাঙ্গ থেকে তরল পদার্থ বের হয় (Leakage of semen).
১৩.হতাশা বেড়ে যায়।
১৪.স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে যায় এবং রুগ্ন ব্যক্তির মতো দেখায়।
১৫.অনেকের অল্প বয়সে বৃদ্ধ মানুষের মত চেহারা হয়।
হোমিওপ্যাথি তে হস্তমৈথুনজনিত সকল সমস্যার কার্যকর সলিউশন রয়েছে। সঠিক সিম্পটম অনুযায়ী চিকিৎসা দিলে দ্রুত সুস্থ হয়ে যায়।
ডাঃ মোঃ কানিজ শেখ
Wednesday, 30 March 2022
মাসিকের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়
মাসিকের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়
১. সেঁক নিন
গরম সেঁক নিন। একটি ‘হট ওয়াটার ব্যাগ’ একটি তোয়ালে অথবা মোটা গামছা দিয়ে মুড়িয়ে পেটের ওপর রাখতে পারেন। পেটে সেঁক নিলে তা ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
হট ওয়াটার ব্যাগ ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন। যেমন—
সহনীয় তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করুন
মুখ ভালোভাবে আটকানো আছে কি না দেখে নিন
একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর ব্যাগ উল্টেপাল্টে দিন
‘হট ওয়াটার ব্যাগ’ এর পরিবর্তে ইলেকট্রিক ‘হিটিং প্যাড’-ও ব্যবহার করা যেতে পারে।
২. ব্যায়াম করুন
পিরিয়ডের ব্যথার কারণে ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করার ইচ্ছা না থাকাই স্বাভাবিক। তবে ব্যায়াম অথবা যেকোনো উপায়ে শরীর সচল রাখলে মাসিকের ব্যথা কমে আসতে পারে। হাঁটা, সাইকেল চালানো অথবা সাঁতার কাটার মতো হালকা ব্যায়াম করতে পারেন।
৩. পেট ম্যাসাজ (আলতো করে মালিশ) করুন
তলপেট ও এর আশেপাশে আলতোভাবে ম্যাসাজ করলে সেটি ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
৪. রিল্যাক্স করুন
রিল্যাক্স করার অর্থাৎ মানসিকভাবে চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। যোগব্যায়াম ও মেডিটেশন ব্যথা ও অস্বস্তির অনুভূতি থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিতে সাহায্য করতে পারে।
৫. কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করুন
কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করার মাধ্যমে পিরিয়ডের ব্যথা কমানো যায়। এটি আপনাকে রিল্যাক্স করতেও সাহায্য করবে।
Tuesday, 29 March 2022
গরমে সুস্থ থাকার খুঁটিনাটি
✍️✍️✍️গরমে সুস্থ থাকার খুঁটিনাটি ✍️✍️✍️
চৈত্র-বৈশাখ মধুমাস। এই মাসগুলোতে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন স্বাদের রসালো ফলের সমাহার হয় । বিভিন্ন রসালো ফলের সমাহার আমাদের মনকে যেমন আনন্দ দেয় এই মাসগুলোতে গরমে আমাদের তেমনি কষ্ট দেয়। এই মাসগুলোতে সব বয়সী মানুষ বিভিন্ন রোগ ভোগ করে। ডায়রিয়া, জ্বর, ঠান্ডা, হিটস্ট্রোক, ডিহাইড্রেশন এজাতীয় নানা রোগে ভোগে । তাই এই অস্বাস্থ্যকর আবহাওয়ায় কিভাবে নিজের এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের ভালো রাখা যায় চলুন জেনে নেওয়া যাক ।
1.প্রচুর পানি পান করুনঃ
এই গরমে সুস্থ থাকতে হলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন । প্রতিদিনই ঘামের সাথে প্রচুর পরিমাণ পানি এবং লবণ আমাদের শরীর থেকে বের হয়ে যায়। তাই সুস্থ থাকতে প্রতিদিন অন্তত 6 লিটার পানি পান করুন।
2. লেবু,বেলের শরবত ও ডাবের পানি পান করুনঃ
গরমে নিয়মিত লেবু অথবা বেলের শরবত পান করুন। সম্ভব হলে ডাবের পানি খান । লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। বেলে আছে ভিটামিন, মিনারেল,শর্করা। ডাবের পানিতে আছে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন , আয়োডিন ইত্যাদি। এ জাতীয় পানি পান করলে শরীরকে ঠান্ডা ও সতেজ করবে। এবং শরীরে ভিটামিনের ও আয়োডিনের সমস্যা দূর করে সুস্থ থাকতে সহায়তা করবে।
3. রসলো ফল খানঃ
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রসালো ফল রাখুন। রসালো ফল আপনার শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করবে। যেমনঃ তরমুজ , আঙ্গুর, আনারস, কমলা, মাল্টা ইত্যাদি। এছাড়াও দেশি ফল আম ,জাম ,কাঁঠাল ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন।
4. বেশি বেশি সবজি খানঃ
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে সবজি রাখুন । এসময় যথাসম্ভব কষা রান্না পরিহার করে ঝোল জাতীয় সবজি খান। শরীর থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায় বলে ঝোল জাতীয় খাবার থাকা খুবই দরকার ।
5.মাংস খাওয়া পরিহার করুনঃ
অতিরিক্ত মাংস খাওয়া এমনিতেই শরীরের জন্য ক্ষতিকর। প্রতিদিন মাংস খেলে শরীরে নানা রোগ জন্ম দেয়। আর গরমে প্রতিদিন মাংস খেলে ডায়রিয়া, আমাশয় জাতীয় রোগ বেশি হয় । তাই গরমে সুস্থ থাকতে মাংস জাতীয় খাবার পরিহার করুন।
6 . চা-কফি পরিহার করুনঃ
চা এবং কফিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। যা শরীরকে সুস্ক করে তোলে । গৃষ্ম কালে প্রচুর ঘামের জন্য শরীর থেকে পানি বের হয়ে যায়। তাই গরমের সময় যত সম্ভব চা-কফি, কোলড্রিংস জাতীয় খাবার পরিহার করুন।
7.ছাত ব্যবহার করুনঃ
বাহিরে বেরোনোর সময় অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করুন। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আমাদের ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। স্কিন ক্যান্সারের অন্যতম এই অতি বেগুনি রশ্মি। এ ছাড়াও অতিরিক্ত তাপমাত্রায় অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এমনকি হিট স্ট্রোকও হতে পারে ।
8. হালকা ব্যায়াম করুনঃ
প্রতিদিন সকালে হালকা ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম দেহ-মনের উৎকর্ষতা সাধন করে, দেহ ও মনকে সতেজ রাখে। কর্মক্ষমতা ও শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে । এছাড়াও হজম শক্তি বৃদ্ধি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
9.ব্যাগে পানির বোতল রাখুনঃ
বাহিরে যাওয়ার সময় অবশ্যই ব্যাগে পানির বোতল রাখুন। অনেক সময় অনেক স্থানে বিশুদ্ধ পানির অভাব দেখা যায়। বিভিন্ন স্থানের পানি খাওয়ার কারণে আপনার বমি, বদহজম ইত্যাদি জাতীয় সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই নিজের সাথে বিশুদ্ধ পানি রাখুন।
10.সুতি ও ঢিলেঢালা পোশাক পরুনঃ
গরমে সুতির কাপড় আপনার জন্য আরামদায়ক হতে পারে। হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। কেননা আট-সাট পোশাকে গরম বেশি অনুভূত হয়। তাছাড়া গাড়ো রং সূর্যের তাপমাত্রা বেশি শোষণ করে, বিধায় গাড়ো রঙের পোশাকে গরম বেশি লাগে এবং বেশি ঘাম হয়। যার কারণে শরীর থেকে বেশি পানি বের হয়ে যায়। তাই প্রচন্ড গরমে সুস্থ থাকতে হালকা রঙের সুতি কাপড় ব্যবহার করুন।
সামান্য কিছু নিয়ম আপনার এবং আপনার পরিবারের সদস্যদের সুস্থ রাখতে যথেষ্ট পরিমাণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই সুস্থ সুন্দর ও সুখী জীবনযাপন করতে গরমে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নিয়মগুলো করে চলুন।
ধন্যবাদ
লেখক ডাঃ মোঃ ইব্রাহীম খলীল
জীবননগর , চুয়াডাঙ্গা
Thursday, 3 February 2022
Leucorrhoea বা সাদাস্রাব
➤লিউকোরিয়া (Leucorrhoea) বা সাদাস্রাবঃ
◑অস্বস্তির অারেক নাম লিউকোরিয়া বা সাদাস্রাব!
মেয়েদের জননেন্দ্রিয়ে স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য যোনিপথে একপ্রকার তরলজাতীয় পদার্থ নির্গত হয়। আর এই তরল জাতীয় পদার্থ যখন কোনো কারনে মাত্রারিক্ত নির্গত হয় তখন তাকে লিউকোরিয়া বা সাদাস্রাব বলে! একে শ্বেতপ্রদর ও বলা হয়!
◑জেনে রাখুন, মেয়েদের যে কোনো বয়সের যে কোনো সময় কম-বেশি সাদাস্রাব হতে পারে।
এটি নারীদের পরিচিত ও সাধারণ একটি সমস্যা। হোমিওপ্যাথি দর্শন অনুযায়ী, এটির সুচিকিৎসা হতে হয়।
◑কারণ এটি কখনো মারাত্মক আকার ধারণ করে অনেক পীড়া এমন কি জরায়ুমুখে প্রথমে ঘা পরে ক্যান্সারের মতো রোগ সৃষ্টি করেতে পারে।
☞কারণঃ
◑শ্বেতপ্রদর বা সাদাস্রাবের কমন একটি কারণ হচ্ছে ফাঙ্গাল ইনফেকশন। ফাঙ্গাল ইনফেকশন হলে স্রাব দুধের ছানার মত সাদা চাপ চাপ আকারে বের হয় এবং যোনিতে প্রচণ্ড চুলকানি হয়।
◑শরীরিক বিভিন্ন পরিবর্তন, হস্তমৈথুন বা মাস্টারবেশন, প্রাপ্ত বয়সে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নিঃসরণের সময়, হস্তমৈুন বা মাস্টারবেশন (অভুলেশন), গর্ভাবস্থায়,অনিয়মিত মাসিক, মাসিক একবারে বন্ধ, মাসিকের সময় ঋতুস্রাব কমে গেলে, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে অনিয়মিত সহবাসের কারনে!
◑অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, দুর্বল স্বাস্থ্য, অপুষ্টি, ভিটামিন, প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের অভাব, রক্তশূন্যতা, কিডনির রোগ, যক্ষ্মা, ক্লোরোসিস, হৃদপিণ্ড বা ফুসফুসের কোনো পীড়ায় রক্ত সঞ্চালনে! পুষ্টিকর ও ভিটামিন জাতীয় খাবারের অভাবেও সাদাস্রাব হয়ে থাকে!
☞লক্ষণঃ
◑পীড়া আরম্ভর পূর্বে কারো কারো প্রথমে কোমড়ে ও কুচকির স্থানে টেনে ধরার মত এক প্রকার ব্যথা, তলপেট ভারী ও প্রস্রাব অল্প পরিমাণে হতে পারে।
◑প্রস্রাবে কোথানী থাকে, তলপেটে চাপ দিলে ব্যথা লাগে, সামান্য জ্বর জ্বর ভাবও থাকতে পারে।এই অবস্থাা প্রকাশ হওয়ার ৩-৪ দিন পরে জরায়ু থেকে স্রাব নির্গত হয়।
◑স্রাব প্রথমে তরল,স্বচ্ছ ও আঠারমত চটচটে থাকে (দেখতে ঠিক ডিমের লালা বা শ্বেতাংশের মত),পরে ক্রমশঃ ঘন ও পুযেঁরমত হয়।
◑প্রথম দিন থেকে ৬-৭ দিনের মধ্যে জ্বর-জ্বর ভাবসহ স্রাবের পরিমাণ কমে গিয়ে সমস্যাটি প্রাকৃতিকভাবেই সেরে যায়।
◑আবার কারো কারো ক্ষেত্রে পীড়াটি দীর্ঘদিন চলতে থাকে।এটি সবুজ, রক্ত মিশ্রিত, চাল ধোয়া পানির মত-হলদে,!
◑হলদে-সবুজ মিশ্রিত,পনিরেরমত, দুধের মত সাদা, ভাতের মারের মত সাদা, কখনো তরল (তরুণ সর্দির মত), কখনো গাঢ় ইত্যাদি প্রকারের স্রাব নির্গত হতে পারে।
◑আবার কিছু স্রাবের কারণে যোনিদ্বার চুলকায়, ঘা হয় ও জ্বালা করে। এই স্রাব মাসিক হওয়ার পূর্বে ও পরে বা যে কোনও সময় হতে পারে।
◑যৌনসংক্রামক রোগ বা জীবাণু সংক্রমণের দ্বারা সাদাস্রাব হলে তার প্রাথমিক প্রধাণ লক্ষণ হচ্ছে,
অতিরিক্ত পরিমাণে সাদাস্রাব হওয়া, দুর্গন্ধযুক্ত হওয়া এবং যৌনাঙ্গে চুলকানি বা অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেওয়া।
✅হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় এই রোগ ভালো হয়।
◑লিউকোরিয়াতে ব্যবহৃত কিছু হোমিও ঔষধঃ
•Sepia,
•Kreosote
•Alumina
•Borax
•pulsatilla
•platina
•Ammon Carb
🚫ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ঔষধ সেবন করবেন না।❌
| Leucorrhoea বা সাদাস্রাব |
Wednesday, 2 February 2022
এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা
| ANEMIA |
এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা বিশ্বের প্রায়
চার ভাগের এক ভাগ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময় এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতায় ভোগেন। বাংলাদেশে এর হার আরো বেশি।
এনিমিয়া মানে শরীরের পুরো রক্ত কমে যাওয়া নয়। এনিমিয়া হলো-- শরীরে রক্তের পরিমান কম বা
রক্তস্বল্পতা।
এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতায় মাতৃমৃত্যুর অন্যতম কারন হলো গর্ভাবস্থায় আয়রনের ঘাটতিজনিত এনিমিয়া।
রক্তের একটি বিশেষ উপাদান হলো- লোহিত রক্তকণিকা বা আরবিসি। লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি বিশেষ ধরনের রঞ্জক পদার্থ থাকে, যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের সব কোষকে উজ্জীবিত রাখে এবং প্রতিটি কোষের বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ কার্বন ডাই-অক্সাইড ফুসফুসের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়।
এই হিমোগ্লোবিন বয়স ও লিঙ্গভেদে যখন স্বাভাবিক মাত্রার নিচে নেমে যায় তখন তাকে এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা বলে। এনিমিয়ায় হিমোগ্লোবিন নিজেই কমে যেতে পারে অথবা পুরো লোহিত কণিকাই সংখ্যায় কমে যেতে পারে।
◑◑বিভিন্ন "কারনে" এনিমিয়া হতে পারে
১◑ রক্তের লোহিত কণিকার
উৎপাদনজনিত সমস্যার কারণেঃ
কঃ আয়রনের ঘাটতিজনিত এনিমিয়া।
খঃ ভিটামিন-বি, ফলিক এসিডের ঘাটতিজনিত এনিমিয়া।
গঃ অস্থিমজ্জার উৎপাদন ক্ষমতা নষ্ট হলে এনিমিয়া হয়ে থাকে।
ঘঃ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি অসুখের জন্য। যেমন—কিডনি বিকল, লিভার বিকল, থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা ইত্যাদি।
ঙঃ ক্যান্সার জনিত কারনে এনিমিয়া হয়ে থাকে।
২◑ রক্তের লোহিত কণিকা দ্রুত ভেঙে যাওয়ার কারনেঃ
কঃ জন্মগত কারন। যেমন—থ্যালাসেমিয়া।
খঃ বিশেষ কিছু ইনফেকশনের কারন। যেমন—ম্যালেরিয়া,নিউমোনিয়া টাইফয়েড ।
গঃ শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা কমের জন্য এনিমিয়া হতে পারে।
৩◑ রক্তক্ষরণজনিত কারনেঃ
কঃ কৃমি,পেপটিকআলসার,দীর্ঘমেয়াদি ব্যথারওষুধ,পাইলস,অতিরিক্ত ঋতুস্রাব।
খঃ দুর্ঘটনাজনিত হঠাৎ রক্তক্ষরণ।
◑◑ লক্ষণ গুলো হলোঃ
কঃ দুর্বল লাগা,অবসাদগ্রস্ততা,ক্লান্তি,
বমি ভাব,শ্বাস নিতে অসুবিধা।
খঃ বুক ধড়ফড় করা, বুকে ব্যাথা হওয়া, মাথা ঘোরা, মাথাধরা,ক্ষুধামন্দা।
গঃ চোখে ঝাপসা দেখা, চোখ ও হাত-পা ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া।
ঘঃ হাত-পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরা বা অবশ লাগা এবং ঠান্ডা হয়ে যাওয়া( গরম কালেও)।
ঙঃ মুখে ঘা,খাবার গিলতেঅসুবিধা।
এনিমিয়া আসলে কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ। যে কারণে এনিমিয়া হয়েছে সেটি শনাক্ত করে সে অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়াই এনিমিয়ার মূল চিকিৎসা।
এ জন্য কখনো কখনো অনেকে অন্যের রক্ত দিতে / নিয়ে থাকি।দয়া করে এ কাজটি না করা উওম।
থ্যালাসেমিয়ায় আবার উল্টো। আয়রন বেশি আছে এমন খাবার এড়িয়ে চলতে হয়। কৃমির, পাইলস বা অতিরিক্ত ঋতুস্রাবের সমস্যা থাকলে সে অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।
| ANEMIA |
Tuesday, 1 February 2022
কিভাবে মায়াজমকে চিনব
প্রশ্ন ছিল কিভাবে মায়াজমকে চিনব ---
লেখক: ডাঃ অশ্রু কণা চৌধুরী
এম.এ, ডি. এইচ.এম.এস (ঢাকা), বি, এইচ.বি (ঢাকা)
লেকচারার,
ডাঃ জাকির হোসেন সিটি কর্পোরেশন
হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
| ডাঃ অশ্রু কণা চৌধুরী |
আমি যদি প্রথমে সোরার কথা বলি, তাহলে বলব,কু'-চিন্তার প্রভাবেই এ সোরার উৎপত্তি।অর্থাৎ,সোরার কাজ হচ্ছে আমাদের নির্মল চিত্তে একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আমাদের জ্ঞানশক্তি,বোধশক্তি এবং ইচ্ছাশক্তিকে দূষিত করে সেই লক্ষ্যে কাজ করতে বাধ্য করা।
এবং সোরার বিকাশ -- খোস,পাঁচড়া এবং সুখকর চুলকানিতে।যা দিয়ে সোরাকে সহজে চিনতে পারা যায়।
সোরাকে আরও চেনার জন্য একটি বাক্যই যথেষ্ট।সোরা 'মুখোশ পরা এক দার্শনিক '।অর্থাৎ ধর্ম বিষয়ে ভন্ডামীপূর্ণ দার্শনিকতার ভান সোরাদুষ্ট মনের এক বিশেষ পরিচয়(অর্গানন সূত্র নং -৮০)।
কু-কর্মের প্রভাবেই সাইকোসিস এর উৎপত্তি।যেমন-অবৈধ বা দূষিত যৌন সংসর্গে গণোরিয়ার বীজ মানবদেহে সংক্রমিত হয়ে সে রোগবিষ রোগীর ধাতুতে নিবিড়ভাবে মিশে গিয়ে বিচিত্র লক্ষণাদি প্রকাশ করে (সূত্র নং-৭৯)।
যৌনাঙ্গে ফুলকপির মত উপমাংস বা আঁচিল সদৃশ উদ্ভেদ।মূত্রনালিতে জ্বালা এবং ব্যাথাসহ রক্ত যাওয়া ইত্যাদির মাধ্যমে সহজেই এ মায়াজমকে চিনতে পারা যায়।এছাড়া মুখ গহ্বর,জিহ্বা,তালু,ওষ্ঠ প্রভৃতিতে সাদা বর্ণের ছিদ্রযুক্ত,স্পর্শকাতর সামান্য উঁচু সমতল উপবৃদ্ধি এবং বগল,ঘাড়,মস্তক প্রভৃতি স্হানে ছোট ছোট ডুমুরাকৃতি অর্বুদ বা আঁচিল দিয়ে ও এ মায়াজমকে সনাক্ত করা যায়।
সাইকোসিসের চরিত্র হিংসুটে,সন্দেহ পরায়ন,প্রতিহিংসা পরায়ন,গোপন স্বভাবের,খিটখিটে এবং নিষ্ঠুর প্রকৃতির।
(পর্ব - ২)
আসছি পরবর্তী পর্ব নিয়ে।সে পর্যন্ত না হয় থাকলেন আমার সাথে। ধন্যবাদ।
Sunday, 30 January 2022
কোলেস্টেরল কমানোর উপায়
কোলেস্টেরল কমানোর ৭টি বিস্ময়কর উপায়ঃ
| কোলেস্টেরল |
১. এড়িয়ে চলুন ট্রান্স ফ্যাটঃ কোলেস্টেরল কমানোর একটি প্রাকৃতিক উপায় হলো ট্রান্স ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবারগুলো এড়িয়ে চলা, যেমন—বার্গার, পিৎজা, চিপস ইত্যাদি। ট্রান্স ফ্যাট বাজে কোলেস্টেরল বাড়ার প্রধান কারণ।
২. মুরগির মাংস খানঃ লাল মাংস, যেমন—গরু, খাসি ইত্যাদি বাদ দিয়ে খাদ্যতালিকায় মুরগির মাংস বা লিন মিট রাখুন।
৩. ওটস খানঃ কোলেস্টেরল কমানোর আরেকটি উপায় হলো প্রতিদিন সকালে ওটস খাওয়া। ওটসের মধ্যে রয়েছে আঁশ। এটি কোলেস্টেরল কমাতে কাজ করে।
৪. ব্যায়াম করুনঃ প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিনিট ব্যায়াম করুন। পুস আপ, লেগ লিফটস, হিপ রোটেশন ইত্যাদি করতে পারেন।
৫. ফল খানঃ কোলেস্টেরল কমাতে ফল খান। অধিকাংশ ফলে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আঁশ। এগুলো শরীর থেকে বাজে কোলেস্টেরল কমায়।
৬. দারুচিনির কফিঃ গবেষণায় বলা হয়, কফিতে দারুচিনি যোগ করলে কোলেস্টেরল কমে। তাই এটিও খেয়ে দেখতে পারেন।
৭. মাছ খানঃ কোলেস্টেরলের সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্য মাছ খুব উপকারী। তাই খাদ্যতালিকায় মাছ রাখুন।
Saturday, 29 January 2022
ভেরিকোসিল (Varicocele)
ভেরিকোসিল (Varicocele) কি এর লক্ষণ এবং চিকিৎসা
ভেরিকোসিল (Varicocele) |
আমাদের প্রায় সবার মনেই এমন একটা ধারনা কাজ করে যে অন্ডথলিতে একটা কিছু ফুলে উঠাটাই বোধহয় হার্নিয়া, আর হার্নিয়া যদি নাই হয় তবে তো সেটা হাইড্রোসিল হবেই।
আসলে এ দুটোর বাইরে অন্য রোগেও অন্ডথলি ফুলে উঠতে পারে, তেমনই একটা রোগ হলো ভেরিকোসিল (Varicocele)। অন্ডকোষ থেকে যে সকল শিরার মাধ্যমে রক্তপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত বড় শিরায় ধাবিত হয় সেই শিরাগুলো বড় হয়ে মোটা হয়ে গিয়েই অন্ডথলিকে ফুলিয়ে তোলে এবং এর নামই ভেরিকোসিল।
যে সকল পুরুষ অধিক কামাশক্ত অথবা যারা অত্যধিক হস্তমৈথুন করে তারা যদি হঠাত এই অভ্যাস ছেড়ে দেয় কিন্তু কাম চিন্তা ত্যাগ করতে না পারলে এপিডিডায়মিসের উপর দিকে স্পার্মাটিক কর্ড এর মধ্যে বীর্য ধীরে ধীরে সঞ্চিত হয়ে স্ফীত হয়ে উঠে।
ইহাতে কোষ উপর দিকে আকৃষ্ট হয়, স্ফীত হয় এবং স্পর্শ করলে, দাড়ালে বা হাটাচলা করলে বেদনার উদ্রক হয়।
লিঙ্গ অর্ধবক্র হয়, এই অবস্থায় কিছুক্ষণ বা কিছুদিন থাকার পর ধীরে ধীরে ঐ স্ফীত ভাব কমে আসে এবং কখনো আবার বৃদ্ধিও পেতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত ভেরিকোসিলে পরিনত হয়।
ইহার ফলে পুরুষাঙ্গ কখনো শক্ত ও সোজা হয়, কখনো বা বাকা হয়ে থাকে এবং এটা রাত্রেই বেশি হতে দেখা যায়। ইহাতে রোগী অনেক যন্ত্রনাও ভোগ করে থাকে।
ভেরিকোসিল (Varicocele) |
ভেরিকোসিল (Varicocele) এর অত্যন্ত কার্যকরী এবং আরোগ্যকারী হোমিও চিকিত্সা রয়েছে।
একজন ভালো হোমিওপ্যাথ রোগীর সবগুলি লক্ষণ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে সঠিক ঔষধ নির্বাচন পূর্বক যথাযথ ট্রিটমেন্ট দিলেই ভেরিকোসিল অনায়সে নির্মূল হয়ে যাবে।
তবে এই সময় উগ্র মসলা যুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা উচিত নয়। হালকা অথচ পুষ্টিকর খাদ্যই গ্রহণ করা শ্রেয়। কোনো প্রকার মদ্য পান বা উগ্র নেশা করা অনুচিত। সর্বদা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন জামা কাপড় ব্যবহার করতে হবে। রাত্রি জাগরণ এবং অসৎ সঙ্গে মেলামেশা করা আদৌ উচিত নয়।
ভেরিকোসিল কারন ও লক্ষণ :
ভেরিকোসিল (Varicocele) পুরুষের একটি যৌনরোগ।
এ রোগে কোনো কোনো ক্ষেত্রে যন্ত্রণা অনুভূত হয় না।
আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভয়াবহ যন্ত্রণার সৃষ্টি হয়।
এক ধরনের টানাহেঁচড়ার মতো ব্যথা কোমর থেকে প্রত্যঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে।
এ ব্যথা হাঁটাচলা করলে, দাঁড়ালে এবং গরমকালে বেশি অনুভূত হয়।
যেসব পুরুষ বেশি কামাশক্ত বা যারা বেশি হস্তমৈথুন করে,
তারা যদি হঠাৎ এ অভ্যাস ত্যাগ করে,
কিন্তু কামচিন্তা ত্যাগ না করে,
তা হলে এপিডিডায়মিসের ওপর দিকে স্পার্মাটিক কর্ডের মধ্যে বীর্য ক্রমে সঞ্চিত হয়ে স্ফীত হয়ে ওঠে।
এতে কোষ ওপর দিকে আকৃষ্ট হয়, স্ফীত হয় এবং স্পর্শ করলে, দাঁড়ালে বা হাঁটাচলা করলে ব্যথা হয়।
এ অবস্থায় কিছুক্ষণ বা কিছুদিন থাকার পর ক্রমে ওই স্ফীত ভাব কমে আসে এবং কখনো আবার বৃদ্ধিও পেতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত ভেরিকোসিলে পরিণত হয়।
এতে পুরুষাঙ্গ কখনো শক্ত ও সোজা হয়, কখনো বাঁকা হয়ে থাকে এবং এটা রাতে বেশি হতে দেখা যায়।
এতে রোগী বেশি যন্ত্রণা ভোগ করে।
ভেরিকোসিল রোগের অত্যন্ত কার্যকরী এবং আরোগ্যকারী হোমিও চিকিৎসা রয়েছে। অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথ ডাক্তার রোগীর সব লক্ষণ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে সঠিক ওষুধ নির্বাচন করে যথাযথ চিকিৎসা করলে রোগটি নির্মূল হয়ে যাবে। চিকিৎসক এ সময় খাবার-দাবার ব্যাপারেও বিধি-নিষেধ জানিয়ে দেবেন।
ভেরিকোসিল রোগীদের ৯৫ ভাগ বাম পাশ্বে আক্রন্ত হয় আর ৫ ভাগ ডান পাশ্বে আক্রান্ত হয়।
ভেরিকোসিল রোগের লক্ষণ:
অণ্ডকোষে ব্যথা হওয়া (Pain in testicles)
অণ্ডথলিতে চাকা/পিণ্ড (Mass in scrotum)
কুঁচকিতে ব্যথা (Groin pain)
অণ্ডথলি বা অণ্ডকোষ ফুলে যাওয়া (Swelling of scrotum)
বন্ধ্যাত্ব (Infertility)
তলপেটে ব্যথা (Lower abdominal pain)
অনৈচ্ছিক মূত্রত্যাগ (Involuntary urination)
পুরুষত্বহীনতা (Impotence) ত্বকের বৃদ্ধি (Skin growth)
পুরুষাঙ্গে ব্যথা হওয়া (Penis pain)
পায়ুপথে ব্যথা হওয়া (Pain of the anus)
এর প্রধান লক্ষণ ও উপসর্গগুলি কি কি ?
ভ্যারিকোসিলে সাধারণত দেখতে পাওয়া লক্ষণ ও উপসর্গগুলি হলঃ
অস্বস্তি সৃষ্টি।
মৃদু ব্যথা।
স্ক্রটামের শিরার বৃদ্ধি বা মচকে যাওয়া।
ব্যথা বিহীন টেস্টিকুলার লাম্প।
স্ক্রটাল ফুলে যাওয়া বা স্ফিত হওয়া।
বন্ধ্যাত্ব।
শুক্রানুর সংখ্যা কম হওয়া।
বিরলভাবে- কোন উপসর্গ দেখা যায় না।
এর প্রধান কারণগুলি :
ভ্যারিকোসিলে প্রধানত শিরার ভাল্বটি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার জন্য স্পারমেটিক কর্ডের সাথে অল্প রক্ত সঞ্চালিত হয়,যার ফলে শিরাটি ফুলে যায় ও বড় হয়ে যায়। কিডনিতে টিউমারের মতো অবস্থা দেখা দিলেও শিরায় রক্ত প্রাবাহিত হওয়ার সময় বাধা সৃষ্টি হয়।
কিভাবে এর নির্ণয় করা হয়:
চিকিৎসক উপসর্গগুলির সম্পূর্ণ ইতিহাস গ্রহন করেন ও কুঁচকির অঞ্চলটি ভালোভাবে পরীক্ষা করেন, যার মধ্যে রয়েছে স্ক্রটাম এবং টেষ্টিকেল, এবং দেখেন যে স্পারমেটিক কর্ডএ কোনও পাকানো শিরা আছে কিনা। এক্ষত্রে নীচে শুয়ে থাকা অবস্থায়,এটি দেখা যায় না। আবার, পরীক্ষার সময় টেস্টিক্যালের প্রতিটি সাইড আলাদাভাবে দেখা হয় কারণ দুদিকের টেষ্টিকেলের মাপ আলাদা হয়।
ভেরিকোসিল রোগের ডায়াগনোসিস প্যাথলজী পরীক্ষা
Usg of Scrotum
ঔষধ সমূহ:
ফেরাম পিক্রিক, পালসেটিলা, বেলেডোনা, ক্যাল্কেরিয়া কার্ব, এগনাস ক্যাকটাস, একোনাইট ন্যাপ, আর্ণিকা, হ্যামামেলিস, ল্যাকেসিস, নাক্সভম, প্লাম্বাম, রুটা, সালফার, লাইকোপডিয়াম, অ্যাসিড ফস, বেলিসপিরিনিস।
Friday, 28 January 2022
যেসব অভ্যাসের কারণে হারাতে পারেন সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা
যেসব অভ্যাসের কারণে হারাতে পারেন সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা
ইদানীং বেশিরভাগ পুরুষ স্পার্মের পরিমাণ নিয়ে ভুগছেন। স্পার্ম কাউন্ট কম হওয়ায় অনেক দম্পতি বাবা-মা হতে পারেন না। তবে নিজেরা একটু সচেতন থাকলে এ ধরনের সমস্যা এড়ানো সম্ভব। এই বিষয়ে অনেক আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে। নয়তো ভয়ানক বিপদের সম্মুখীন হতে পারেন। আমাদের প্রতিদিনের করা কিছু কাজের মাধ্যমেই আমরা সম্মুখীন হচ্ছি এই বিশাল বিপদের।
পুরুষের এই স্পার্ম কীভাবে কমে যায় তার বেশ কয়েকটি কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক জার্নাল এনএইচএস-এ। চলুন জেনে নিই সেই কারণগুলো-
ড্রাগ
ড্রাগ অ্যানাবলিক স্টেরয়েড পেশির শক্তি ও বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করে। এতে অণ্ডকোষ সংকুচিত হয়ে যায় এবং স্পার্ম কাউন্ট কমে যায়। অর্থাৎ মাদক গ্রহণে সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়।
অ্যালকোহল
অ্যালকোহল পান করার অভ্যাস থাকলে সাবধান হোন। টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমায় অ্যালকোহল, যা আপনার সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস করবে। বিশেষ করে যারা অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যালকোহল পান করেন তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ধূমপান
টোবাকো মানবদেহের জন্য অনেক ক্ষতিকর। পাশাপাশি এটা স্পার্ম কাউন্টও কমিয়ে দেয়। এ জন্য আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে হলেও ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।
ডিপ্রেসন
যদি আপনি ডিপ্রেশনের শিকার হন, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনার স্পার্ম কাউন্ট কম হওয়ার অন্যতম কারণ এটা।
ওজন
ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজনের কারণে স্পার্ম কাউন্ট কমে যেতে পারে। এ জন্য ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।Wednesday, 26 January 2022
শিশুদের বিছানায় প্রস্রাব
শিশুদের বিছানায় প্রস্রাব করার হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা:
এই সমস্যা সাইকোসোমেটিকের কারণে (ভয়, চিন্তা, অপমান, ক্রোধ) অথবা শারীরিক সমস্যা অর্থাৎ মূত্রনালীতে স্ফিঙ্কটার মাংসপেশীর দুর্বলতার জন্য হতে পারে। সঠিক পদ্ধতিতে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিছানায় প্রস্রাব করার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
স্নায়বিক উত্তেজনা, ক্রিমি দোষ প্রভৃতির কারনে মূত্রাশয়ের সংরক্ষণ শক্তির হ্রাস পেলে কিছু বেশি বয়সেও শিশু ঘুমন্ত অবস্থায় অসাড়ে বিছানায় প্রস্রাব করে।
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা:
✅✅ সিনা
✅✅অ্যাসিড ফস
✅✅ক্রিয়োজোট
✅✅স্ট্যাফিসেগ্রিয়া
✅✅পেট্রোসেলিনাম স্যাটিভাম
✅✅ট্যাবেকাম
✅✅ফেরাম ফস
রাতে শিশুকে বিছানা থেকে উঠিয়ে মাঝে মাঝে প্রস্রাব করালে সময় সময় ওষুধ ছাড়াই ভালো হতে দেখা যায়।
শিশু বিছানায় প্রস্রাব করলে করণীয় কি?
যথাযথ ক্রিমি নাশক ওষুধ খাওয়ানো হলে, ঘুমানোর আগে বেশি পরিমাণ পানি পান থেকে বিরত রেখে বা নিয়ন্ত্রণ করে, মূত্রনালীর সংক্রমণ, জননাঙ্গ সংক্রান্ত অস্বাভাবিকতা ও অন্যান্য সম্ভাব্য কারণের চিকিৎসা করে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।বি:দ্র: চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবনে হিতের বিপরীত হতে পারে।
শিশুদের বিছানায় প্রস্রাব |
Tuesday, 25 January 2022
ফাইব্রয়েডে
প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন নারী ফাইব্রয়েডে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, পেট ব্যথা, কোমরের নিচে ব্যথা, ঘন ঘন প্রস্রাব, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ নানা রকম উপসর্গে ভোগেন।
Monday, 24 January 2022
chocolate cyst
ডিম্বাশয়ের_চকলেট_সিস্ট (chocolate cyst)
আজকাল মেয়েদের অনেকেরই ডিম্বাশয়ে এক ধরনের সিস্ট হয়, যে সিস্ট সম্পর্কে আমাদের সকলের ধারণা অতি সীমিত। সেটি হচ্ছে চকলেট সিস্ট। চকলেট সিস্ট হচ্ছে এক ধরনের এন্ডোমেট্রিয়াল সিস্ট (Endometrial cyst)। এন্ডোমেট্রিওসিস হচ্ছে জরায়ু ব্যতীত অন্য কোথাও এন্ডোমেট্রিয়ামের উপস্থিতি। যখন ডিম্বাশয় আক্রান্ত হয় তখন একে ডিম্বাশয়ের চকলেট সিস্ট বলে। এন্ডোমেট্রিওসিস এর সবচেয়ে কমন জায়গা হচ্ছে এই ডিম্বাশয়। এটি সাধারণত হলে দুই দিকেই হয় অর্থাৎ দুই পাশের ডিম্বাশয় আক্রান্ত হয়।
সাধারণভাবে জরায়ু ব্যতীত এন্ডোমেট্রিয়াম অন্যত্র থাকার কথা নয়। কিন্তু যখন অল্প কিছু এন্ডোমেট্রিয়াল কলা (জরায়ুর সবচেয়ে ভেতরের দিকের কলা) ডিম্বাশয়ের ভেতরে তৈরি হয়, রক্তপাত করে ও বেড়ে উঠে তখন এই রোগ হয়ে থাকে। মাসের পর মাস এভাবে রক্ত ভাঙতে থাকলে এটি এক সময় বাদামি আকার ধারণ করে। যখন এটি ফেটে যায় তখন ভেতরের সব কিছু আশেপাশের অঙ্গ সমুহের (জরায়ু, মুত্র থলি, অন্ত্র) উপর ছিটকে পড়ে।
চকলেট সিস্টের লক্ষণসমুহ
১. কোন লক্ষণ নাও থাকতে পারে (২৫%)।
২. তলপেটে ব্যথা (৫০%) (মাসিকের কিছুদিন আগে থেকে কিন্তু মাসিকের সময়ে বেশি)।
৩. মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত ও বার বার মাসিক হওয়া (৬০%)।
৪. দীর্ঘদিন তলপেটে ব্যথা থাকা।
৫. উদরে ব্যথা।
৬. সন্তান না হওয়া (৪০-৬০%)।
তলপেটের পরীক্ষা করলে পেটে প্রচন্ড ব্যথা অনুভূত হতে পারে। পাউচ অফ ডগ্লাসে (Pouch of Douglas) ব্যথা অনুভূত হতে পারে। এডনেক্সাতে (Ednaxa) একটি অথবা দুটি বিভিন্ন সাইজের সিস্ট বোঝা যায় অনেক সময়।
অন্যান্যঃ প্রস্রাব ঘন ঘন হওয়া, প্রস্রাবে রক্ত আসা, জ্বালা পোড়া হওয়া,পায়খানায় কষ্ট হওয়া ও রক্ত যাওয়া।
| Chocolate cyst |
কীভাবে নির্ণয় করবেন
১. তলপেটের আল্ট্রাসনোগ্রাম (ultrasonogram)
২. ট্রান্স ভেজাইনাল সনোগ্রাফি (Trans Vaginal Sonography)।
৩. সিরাম মার্কার সি এ- ১২৫ (Serum Marker CA- 125)।
৪. ল্যাপারোটমি (laparotomy)।
৫. বায়োপসি (Biopsy)।
চকলেট সিস্টের চিকিৎসা
এন্ডোমেট্রিওসিসের চিকিৎসা করা হয় ঔষধের মাধ্যমে কিন্তু কাজ না হলে অপারেশন করে কেটে ফেলা হয়। যাদের কোন লক্ষণ থাকে না তাদের ক্ষেত্রে কিছু করার দরকার নেই। একজন কম বয়সী বিবাহিত মেয়ের বিয়ের পরে বাচ্চা ধারণ করলে এমনিতেই এটি সেরে যায়।
হরমোনের মাধ্যমে চিকিৎসা
১. খাবার জন্ম বিরতিকরণ পিল।
২. শুধু প্রোজেস্টেরন (Progesterone)।
৩. গোনাডোট্রপিন রিলিজিং হরমোন (Gonadotropin-releasing hormone)।
৩. ডানাজল।
অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা
১. সিস্টটি যতটুকু সম্ভব কেটে ফেলা হয়।
২. যদি পরিবার সম্পূর্ণ হয়ে থাকে এবং বয়স চল্লিশের বেশি হয় বা যদি এন্ডোমেট্রিওসিস পেলভিসের (Endometriosis pelvis) সর্বত্র ছড়িয়ে একটা আরেকটার সাথে লেগে থাকে যা ছোটানো কষ্টকর সেক্ষেত্রে জরায়ু সম্পূর্ণরূপে দুই দিকের টিউব ও ডিম্বাশয়সহ কেটে ফেলা হয়।
কী কী জটিলটা দেখা দিতে পারে
সিস্টটি ফেটে যেতে পারে।
চকলেট সিস্ট এ ইনফেকশন হয়ে থাকতে পারে।
অন্ত্রে অবস্ট্রাকশন (Intestinal obstruction) হতে পারে।
খুব বিরল হলেও ক্যান্সার হতে পারে।
সাধারণত এই রোগটি ৩০-৪৫ বছর বয়সের নারীদের হয়ে থাকে। এদের অধিকাংশেরাই একটি সন্তানও হয় নি এমনটাই দেখা যায় অথবা সিস্টের লক্ষণ দেখা দেওয়ার অনেক আগে একটি বা দুটি বাচ্চা হয়ে থাকতে পারে। এই রোগটি বংশগত হতে পারে।
নারীদের নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হলে নিজের শরীর সম্পর্কেও সঠিক ধারণা থাকতে হবে। সুতরাং, নিজেকে জানুন ও সুস্থ থাকুন।
টনসিলের_চিকিৎসায়_হোমিওপ্যাথি
টনসিল কী?
টনসিল হচ্ছে দুটি লিম্ফনোড।
মুখের পিছনে এবং গলার উপর দিকে অবস্থিত। এর কাজ হল রোগ প্রতিরোধ করা। এরা ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণুকে বের করে দিয়ে দেহকে সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে।
| টনসিল |
টনসিল এর কাজঃ
এটি শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে. তাদের উদ্দেশ্য সংক্রমণের কবল থেকে দেহকে রক্ষা করা।তারা রক্ষী হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের শ্বসনতন্ত্র বা পাচনতন্ত্র যা আরো গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে প্রবেশন সাথে কোন ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস থামাতে কাজ করে.
টনসিল হওয়ার কারণঃ
মাঝে মাঝে এই প্রতিরক্ষা ফাংশন যখন দুর্বল হয়ে যায় তখন টন্সিল স্ফীত এবং ব্যথা শুরু হয়।এই অবস্থায় টনসিল ফুলে যায়।
অন্যান্য কারণসমূহ
জনাকীর্ণ স্থানে বসবাস, কাজ, এবং অবস্থান করলে
ধূমপানে।
ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘস্থায়ী অসুখ থাকলে।
লক্ষণসমূহঃ
গিলতে কষ্ট হয়, কানে ব্যথা, জ্বর এবং ঠাণ্ডা অনুভূত হওয়া, মাথা ব্যথা, গলায় ক্ষত, চোয়াল এবং গলায় স্পর্শকাতরতা, গলার দুই পাশের গ্রন্থি বা লিম্ফনোড বড় হয়ে যাওয়া, গলায় সাদা বা হলুদ দাগ থাকতে পারে, শিশুদের মধ্যে ক্ষুধামন্দা
নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা, টনসিল খুব বড় হলে খাবার খেতে বা পান করতে সমস্যা হতে পারে।
পরীক্ষাঃ
* CBC-তে শ্বেত রক্তকণিকা বাড়া প্রকাশ পায়।নিশ্চিত হলে আরো কিছু পরীক্ষা করা লাগতে পারে।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ
হোমিওপ্যাথি টনসিলের জনপ্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থা। বিবিসির তথ্য মতে, দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহন করেন।
সহায়ক গুরুত্বপূর্ন ৫টি হোমিওপ্যাথিক ঔষধঃ
1. Hepar Sulph
2. Baryta Carb
3. Belladonna
4. Calcaria Phos
5. Silicea
● বিঃদ্রঃ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোন ওষুধ গ্রহণ করবেন না।
Sunday, 23 January 2022
টিউমার
টিউমার কি চলুন জেনে নেই- দেহ কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকেই টিউমার বলা হয়।
বিস্তারিতভাবে যদি বলি তাহলে বলা যায়, শরীরের যেকোন স্থানের (মাথা, হাত, বুক, পিঠ
ইত্যাদি) কোষসমুহ যদি ধীরে ধীরে বা দ্রুততার সাথে অস্বাভাবিক (সাধারণত গোল আকৃতির)
| টিউমার |
ও অসামঞ্জস্যভাবে বেড়ে ওঠে তাকে টিউমার বলা হয়। টিউমারের প্রকারভেদঃ টিউমারকে আমরাসা ধারণত তিনভাগে ভাগ করতে পারি। যথাঃ (১) হিস্টোমা বা কানেকটিভ টিস্যু টিউমার, (২)
সাইটোমা এবং (৩) টেরাটোমা বা মিক্সড সেল টিউমার। হিস্টোমা টিউমারের প্রকারভেদঃ
হিস্টোমা টিউমার আবার দু’প্রকার। যথাঃ (১) বিনাইন ও (২) মালিগন্যান্ট বিনাইন
টিউমারঃ এই টিউমারগুলো সাধারণত তুলতুলে ও নরম আকৃতির হয়। খুব একটা শক্ত হয় না। এর
বৃদ্ধি ঘটে খুব আস্তে-ধীরে। উপরে কোনো বিশেষ আবরণ থাকে না। এই টিউমারের উপরের চামড়া
বা চর্ম আলাদা বা পৃথক মনে হয়। টিউমারের পার্শ্বে অবস্থিত গ্রন্থিসমুহ আক্রান্ত হয়
না। এই টিউমারে আঘাত করলে বা কিংবা চাপ প্রয়োগ করলে কোনো যন্ত্রণা অনুভূত হয় না।
ম্যালিগন্যান্ট টিউমারঃ এই টিউমার নিরেট আকৃতির বা শক্ত হয়। খুব দ্রুত বেড়ে ওঠে। এই
টিউমারের আবরণ থাকে। এটার উপরের চর্ম আলাদা মনে হয় না। এই টিউমার সংলগ্ন
গ্রন্থিসমুহ আক্রান্ত হয়। টিউমারটিতে চাপ দিলে যন্ত্রণা অনুভূত হয়। এই টিউমারে আঘাতকরলে কিংবা অপারেশন করা হলে ক্ষতি হয়। অপারেশন করলে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে প্রায়ই
ক্যান্সার হতে দেখা যায়। শরীরের একেক স্থানের টিউমার যে নামে পরিচিতঃ ১। নাক, জরায়ু
প্রভৃতি শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির টিউমারের নাম প্যাপিলোমা। ২। জরায়ু ও পাকস্থলী প্রভৃতি
স্থানের মাংস পেশির টিউমারের নাম মাইওমা। ৩। চর্মের উপরে যে টিউমার হয় তার নাম
এপিথেলিওমা। ৪। পিঠ, কাঁধ প্রভৃতি স্থানে ফ্যাটি টিস্যু টিউমারের নাম লিপোমা। ৫।
হাড়ের কার্টিলেজ এর টিউমারের নাম কনড্রমা। ৬। মাথার খুলি, মুখ-মণ্ডল ও নাসিকা গহ্বর
প্রভৃতি স্থানে হাড়ের অস্থি টিউমারের নাম অস্টিওমা। ৭। মস্তিষ্ক কোষের টিউমারের নাম
গ্লাইওমা। ৮। মস্তিষ্ক, লিভার প্রভৃতি স্থানের লসিকা নালীর টিউমারের নাম
| টিউমার |
লিমফ্যানজিওমা। সাধারণত কম বয়সে সার্কোমা টিউমার দেখা দেয়। সাধারণত ৪০ বছর বয়সের
পরে কার্সিনোমা টিউমার দেখা দেয়। টিউমারের চিকিৎসা :- অপারেশন ছাড়া হোমিওপ্যাথি
চিকিৎসায় টিউমার সম্পূর্নরুপে আরোগ্যলাভ সম্ভব। তাই আপনাকে একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে
Homoeo Medicine
ওভারিয়ান সিস্টের কারণ ও করণীয়
🎀 ওভারিয়ান সিস্টের কারণ ও করণীয় নারীর ওভারি অথবা ডিম্বাশয়ের সিস্ট সাধারণত যেকোন বয়সের নারীদের হতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সাধারণত ৫...
-
🎓লন্ডনে প্রথম হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ইতিহাস 🎩বৃটিশ রাজপরিবার হোমিওপ্যাথির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। আমরা জানি, রাজপরিবারের সদস্য ডক্টর...
-
হস্তমৈথুনজনিত কুফল হস্তমৈথুন হচ্ছে যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য পুরুষের লিঙ্গ অথবা নারী তার যোনির ঘর্ষণ এবং স্তন স্পর্শ করে যৌন আনন্দ উপভোগ করে...
-
টনসিল কী? টনসিল হচ্ছে দুটি লিম্ফনোড। মুখের পিছনে এবং গলার উপর দিকে অবস্থিত। এর কাজ হল রোগ প্রতিরোধ করা। এরা ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণুকে ...




